মুক্ত স্বদেশ নীলফামারী-১ আসনে শেষ পর্যন্ত বিএনপির হয়ে লড়ছেন প্রকৌশলী তুহিন | মুক্ত স্বদেশ

নীলফামারী-১ আসনে শেষ পর্যন্ত বিএনপির হয়ে লড়ছেন প্রকৌশলী তুহিন


নিউজ ডেস্ক ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ৬:৫৭ অপরাহ্ন
নীলফামারী-১ আসনে শেষ পর্যন্ত বিএনপির হয়ে লড়ছেন প্রকৌশলী তুহিন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দুই ধাপে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বিএনপি। দুই ধাপের ঘোষণায় বিএনপির তালিকায় নেই নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা)। ফলে সবার মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও নেতাকর্মীদের বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত ধানের শীষ নিয়ে লড়বেন বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ও তারেক রহমানের খালাতো ভাই প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।

প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন এ আসনে প্রচারণার পাশাপশি এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষদের বিপদে পাশে দাড়ানো এবং বেকার যুবকদের নিয়ে কর্মসংস্থান তৈরীর অগ্রনী ভুমিকা পালন করে আসছেন। এছাড়াও অসুস্থ্য মানুষের সেবায়ও নিচ্ছেন বিভিন্ন পদক্ষেপ। তিনি সকল পেশার সকল দলের মানুষের দুঃখ কষ্টের কথা আস্তরিকভাবে শুনে পাশে দাড়াচ্ছেন। ফলে কেউ তার কাছ হতাশ হয়ে ফিরছে না।

তালিকায় নাম না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক ছাত্রনেতা রায়হানুল হক প্রধান (ইউসুফ প্রধান) বলেন, তালিকায় নাম না থাকায় আমরা মোটেও হতাশ নই। কৌশলগত কারনে ওনার নাম প্রার্থীর তালিকায় নেই। আমরা শুধু আশাবাদীই না বরং বিশ্বাস করি শেষপর্যন্ত আমাদের নেতা নীলফামারী মাটিও মানুষের নেতা প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন এই আসনে মনোনয়ন পাবেন এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করে বিএনপিকে উপহার দিবে ডোমার-ডিমলাবাসী।

ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সুমন বলেন, ডোমার-ডিমলা নিয়ে গঠিত নীলফামারী-১ আসন। এ আসনটি বিএনপির নিজস্ব আসন এ কারণেই যে এখানে যিনি লড়বেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়া পরিবারের সদস্য শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ভাই। তুহিন ভাই ছাড়া এ আসনে নির্বাচন না হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এ আসনের উন্নয়নে তুহিন ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই এবং তিনি ধানের শীষ নিয়ে লড়বেন এবং জয়লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ।

নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক ডিমলা উপজেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানে ডোমার ডিমলায় তুহিন ভাইয়ের জনপ্রিয়তা সবার উপরে। নিসন্দেহে তুহিন ভাই প্রার্থী হবেন এবং ধানের শীষ নিয়ে জয়লাভ করে সংসদে যাবেন।

সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও রামনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম জিয়া বলেন, তুহিন ভাই শুধু নীলফামারী-১ আসনের জন্যই নয় সারা নীলফামারীবাসীর জন্য আর্শিবাদ। আমরা এমন একজন নেতা পেয়ে গর্বিত। যার মাধ্যমে গোটা নীলফামারী চিত্র পাল্টানো সম্ভব। আশা করি তিনিই মনোনয়ন পাবেন এবং জয়লাভ করবেন।

উল্লেখ্য, ডোমার ও ডিমলা উপজেলা নিয়ে গঠিত নীলফামারী-১ আসন বহু বছর ধরেই বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। চব্বিশের আন্দোলন ও রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যেও এই দুই দলের প্রভাব বজায় ছিল আসনটিতে। যদিও গত ১৬ বছর পুরো সময় এ আসনটি দখলে ছিল আওয়ামী লীগের। স্থানীয়দের ভাষ্য, ‘ভোটারবিহীন নির্বাচনের’ সুযোগে আওয়ামী লীগ এখানে নিজেদের আধিপত্য তৈরি করেছিল। তবে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর সেই চিত্র পাল্টে যায়।

এছাড়াও জামায়াত নির্বিঘ্নে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার শুরু করেছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সভা-সমাবেশ, ভোটারদের কাছে লিফলেট বিতরণ, ঘরোয়া বৈঠকসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে তারা। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে আসনটিতে জামায়াত শক্ত অবস্থানে চলে যেতে পারে।