
নোয়াখালী সদরের দাদপুর ইউনিয়নের হুগলি, কাশিপুর ও বারাহিপুর মৌজায় আপন ভাইয়ের পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বোন রোকছেনা আক্তার পারুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী ভাই মিজানুর রহমান সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
লিখিত অভিযোগে মিজানুর রহমান জানান, তার বোন রোকছেনা আক্তার পারুলের স্বামী গোলাম সারওয়ার এবং তাদের ছেলেরা—রনি সারোয়ার, সনি সারোয়ার, জনি সারোয়ার, বাবু সারোয়ার ও তারেক সারোয়ার—সকলে মিলে তার মালিকীয় ও শান্তিপূর্ণ ভোগদখলীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের নানা তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী ভাই আরও জানান, ইতোমধ্যে খলিফার হাটে তার নিজস্ব মালিকানাধীন ‘হৃদয় স্টুডিও’, বসতঘর ও বাগানের জায়গায় প্রতিপক্ষরা জোরপূর্বক নিজেদের নামে সাইনবোর্ড ও ব্যানার টাঙিয়ে দিয়েছে। দাবি করা এসব সম্পত্তি তিনি পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত এবং হালনাগাদ দলিল ও খতিয়ান রেকর্ড তার নিজ নামেই রয়েছে।
মিজানুর রহমানের দাবি, তার বাবা জীবদ্দশায় ছেলে-মেয়েদের মধ্যে যার যার প্রাপ্য সম্পত্তি আইনানুগ দলিলমূলে এবং সরেজমিনে বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন। তিনি বাবার নির্ধারিত সীমার বাইরে এক ডিসিমেল জমিও অতিরিক্ত ভোগ করছেন না। উল্টো তার পাঁচ বোনের মধ্যে চার বোন গোপনে মায়ের সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে তাকে বঞ্চিত করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অপরদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের দাবি—ওই সহায়-সম্পত্তিতে তাদেরও কাগুজে অধিকার রয়েছে এবং মিজানের কাছে থাকা দলিল তারা মানেন না।
এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, জমিটি নিয়ে এর আগেও একাধিকবার স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক বিচার বা সালিশ বৈঠক হয়েছে এবং প্রতিবারই কাগজপত্র যাচাই করে মিজানুর রহমানকে সম্পত্তিটির বৈধ মালিক হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, আইনিভাবে সম্পত্তি নিজেদের দখলে না থাকায় এখন জোর করে দখল দেখানোর উদ্দেশ্যে সেখানে ব্যানার টাঙানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ দখলদারিত্বের শামিল।
আপনার মতামত লিখুন :