মুক্ত স্বদেশ দুই হিপ নষ্ট হয়ে শয্যাশায়ী আনোয়ার: বাঁচতে চান অবুঝ শিশুর পিতা | মুক্ত স্বদেশ

দুই হিপ নষ্ট হয়ে শয্যাশায়ী আনোয়ার: বাঁচতে চান অবুঝ শিশুর পিতা


নিউজ ডেস্ক সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ন
দুই হিপ নষ্ট হয়ে শয্যাশায়ী আনোয়ার: বাঁচতে চান অবুঝ শিশুর পিতা

বাবার ছায়া হারিয়েছেন আগেই, আর মাত্র দুই মাস আগে চিরতরে হারিয়েছেন মাকেও। স্বজন হারানোর সেই শোক না শুকাতেই এবার জীবনের প্রদীপ নিভে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে মো. আনোয়ার হোসেনের (৩২)। দুটি হিপ (কোমর বা জয়েন্ট) সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে এখন বিছানাতেই দিন কাটছে তাঁর। ঘরে রয়েছে তাঁর তিন বছরের এক অবুঝ শিশু সন্তান, যার মুখের দিকে তাকিয়ে তিলে তিলে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন এই অসহায় পিতা।

পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাড়িপাড়া বটতলা এলাকার বাসিন্দা মৃত মো. আবুল খলিফা ও মৃত রওশন আরার ছোট ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে ছোট আনোয়ার একসময় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করে পরিবারের খরচ সামলাতেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব। নিজের জটিল অসুস্থতা ও মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটেমাটি ও সহায়-সম্পত্তি সবই বিক্রি করে ফেলেছে পরিবারটি। এখন ভাইদের নিজেদের সংসার চালানোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে, তার ওপর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আনোয়ার শয্যাশায়ী থাকায় পুরো পরিবারে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার।

চিকিৎsকরা জানিয়েছেন, আনোয়ার হোসেনকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হলে দুটি হিপ জয়েন্টেই দ্রুত অস্ত্রোপচার (অপারেশন) করা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা—অর্থাৎ দুটি অপারেশনের জন্য মোট ১৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। সর্বস্ব হারিয়ে আজ এই বিশাল অঙ্কের চিকিৎসা ব্যয় বহন করার মতো বিন্দুমাত্র সামর্থ্য নেই তাঁর স্বজনদের।

আনোয়ারের এই করুণ অবস্থায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর বড় দুই ভাই, চাচাসহ নিকট স্বজনরা। আকুল কণ্ঠে তাঁর এক ভাই জানান, মা-বাবা কেউ নেই, ছোট ভাইটা আজ এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে; তার অবুঝ বাচ্চাটা কীভাবে বাঁচবে? বাবার যা সম্পত্তি ছিল তা সবই চিকিৎসা করতে গিয়ে শেষ হয়ে গেছে। ভাইটাকে সুস্থ করে তুলতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের একটু সহযোগিতার আকুতি জানান তারা।

আনোয়ারের এই কান্নাজড়িত আকুতি ও স্বজনদের অমানবিক কষ্ট দেখে দেশের বিত্তবান, প্রবাসী ও সর্বস্তরের মানবতাবাদী মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। সমাজের মানুষের সামান্য সহযোগিতা বা অনুদানই পারে আনোয়ারকে সুস্থ করে একটি অবুঝ শিশুর মাথার ওপর থেকে পিতা হারানোর আশঙ্কা দূর করতে।

সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:
আপনার একটুখানি মানবিক সহায়তা ফিরিয়ে দিতে পারে আনোয়ার হোসেনের স্বাভাবিক জীবন। সাহায্য পাঠানোর জন্য রোগীর নিজ মোবাইল ব্যাংকিং পার্সোনাল নম্বর:

বিকাশ / নগদ / রকেট: ০১৭৪৯৪৭৭৫৭ (পার্সোনাল)