মুক্ত স্বদেশ বৃক্ষ উপহার পেয়ে মহাখুশি জিনিয়াস স্কুলের শিক্ষার্থীরা | মুক্ত স্বদেশ

বৃক্ষ উপহার পেয়ে মহাখুশি জিনিয়াস স্কুলের শিক্ষার্থীরা


নিউজ ডেস্ক জুন ১১, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ন
বৃক্ষ উপহার পেয়ে মহাখুশি জিনিয়াস স্কুলের শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষাভীতি দূরীকরণ, পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিতকরণ ও বৃক্ষ রোপনের প্রতি উৎসাহিতকরণের লক্ষ্যে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে জিনিয়াস আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনকারী আড়াইশো শিক্ষার্থীর প্রত্যেককেই বৃক্ষ উপহার দিলো প্রতিষ্ঠানটি। এতে মহাখুশি শিক্ষার্থীরা।

গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে বাস্তবমুখী পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা অভিভাবকগণ এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ১ম সাময়িক পরীক্ষায় কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনকারী আড়াইশো শিক্ষার্থীর মাঝে এ বৃক্ষ উপহার প্রদানের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের মলাই ফকির বাজার সংলগ্ন আমিন সেন্টারে অবস্থিত।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিনিয়াস আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তন্ময় আলমগীর, উপদেষ্টা আল আমিন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মুজিবুর রহমান মঞ্জু, সহকারী শিক্ষক আলাম নাশরাক নিলি, আব্দুল্লাহ আল সাদী লিয়ন, পান্না আক্তার, রিতা আক্তার, শাহীনা আক্তার ঝুনু, লামিয়া মীম, ইতি আক্তার, কণা আক্তার ও শতাধিক অভিভাবকসহ স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ।

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তন্ময় আলমগীর বলেন, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করেছি পাঁচ হয়েছে। প্রতি বছর বর্ষাকাল এলেই শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ করি। যাতে ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি পরিবেশ বিষয়েও সচেতন হতে পারে। জিনিয়াস আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ শুধু পুরস্কৃত করার ক্ষেত্রেই নয়, পড়ালেখার মানের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম। শিক্ষার্থীদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে গড়ে তোলাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

উপদেষ্টা আল আমিন বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের সমন্বয়ে তৈরি হয় শিশুদের শিখন দক্ষতা। সে কাজটিই নিষ্ঠার সাথে করে যাচ্ছে জিনিয়াস আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ।

১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানান, এই বিদ্যালয়ের প্রায় প্রতিটি কার্যক্রমই অভিনব। পাঠ্যবইয়ের পড়ালেখা ছাড়াও আরও অন্যান্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা আমরা পাই।

অভিভাবকগণ জানান, বৃক্ষ উপহার দেওয়ায় শুধু পরিবেশ সম্পর্কেই সচেতন হবে না, বিদ্যালয়মুখী হতেও উৎসাহিত হবে শিক্ষার্থীরা। প্রত্যন্ত এলাকায় এমন একটি ব্যতিক্রমী বিদ্যালয় স্থাপন হওয়ায় শিক্ষার বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করছি।