
ঝিনাইদহ নামকরণের সাথে প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের সমাহার রয়েছে। ফার্সি ভাষায় ‘দহ’ শব্দের অর্থ গ্রাম, বাংলায় ‘দহ’ বড় জলাশয় বা জলাধার অর্থে সবমিলিয়ে ঝিনাইদহ এক অনন্য জলাভূমি। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিন্মমুখী পানির স্তর ও দুষ্প্রাপ্যতার সাথে নদনদী, বাঁওড়, বিল, ঝিল, খাল, দোহা, দিঘী, পুকুর ও জলাধারে ভরপুর ঝিনাইদহ জেলাও পানির নিন্মস্তর ও দুষ্প্রাপ্যতা বিবেচনায় বিশেষ অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। জলাধারগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পানিতে দূষিত হয়ে পড়েছে। দূষণ আর দখলদারিত্বের কাছে ক্রমাগত এখন জলশূণ্য হচ্ছে জলাশয়গুলো।
বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া, বাংলাদেশ হাওড় ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট জেলা তথ্য বাতায়ন থেকে প্রাপ্ত তথ্যে সর্বমোট এ জেলায় বর্তমানে ৮৩টি জলমহাল রয়েছে, যার আয়তন-৯৪৫৭.৫০ হেক্টর। হাল নাগাদ খাস খতিয়ানভুক্ত জলমহালের মধ্যে ঝিনাইদহ জেলায় নদী১২, বাঁওড় ২২, বিল ২৫, ১২ পুকুর,খাল ৫ ও দোহা ৫ টি উল্লেখ থাকলেও সিএস রেকর্ড হিসাব করলে কয়েকগুণ সংখ্যা বেড়ে অনেক বর্ধিত তালিকাভুক্ত হবে।
গ্রীষ্ম ও শুষ্ক মৌসুমে জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ১০ নদী ও ২টি নদের প্রায় ৮০ শতাংশ পানি শুকিয়ে যায়। এসব স্থানে কৃষকরা ধানচাষ করছেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা ঝিনাইদহে রয়েছে ৬টি উপজেলা- শৈলকুপা, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, হরিণাকুন্ডু ও ঝিনাইদহ সদর। জেলার ভেতর দিয়ে নবগঙ্গা, কুমার, বেগবতি, চিত্রা, কপোতাক্ষ, গড়াইসহ বেশকিছু নদনদী প্রবাহিত। নদীগুলোর দখল ও দূষণের ভয়াবহ অবস্থা সর্বজনবিদিত। তবে একমাত্র গড়াই বাদে সবই এখন মৃত; সেখানে হয় ফসলের চাষ। বাংলাদেশ নদীমাতৃকখ্যাত হলেও অব্যবস্থাপনা ও দূর্বৃত্তায়নের ফলে নদীহন্তারকের রূপে ভয়ংকর আগ্রাসী হয়ে ওঠেছে। অপরিকল্পিত নদীশাসন ও মুনাফাভোগীদের অপতৎপরতায় নদনদী ও জলাধারসমূহ মৃত হয়ে গেছে। রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার সুযোগে খুনের শিকারে পরিণত নদনদী-জলমহালগুলো। নদনদী প্রবাহে বাজার, স্থাপনা, বাঁধ নির্মাণ ও ঘন সেতু নির্মাণে জলাধারগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। অপরিকল্পিতভাবে সেতু ও নগরায়নের প্রভাবে নৌপথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। জলপথে অধিকাংশ ঘাটে খেয়া পারাপার আর নেই।
জলমহাল তথ্যপঞ্জীতে উল্লেখিত, বামনগাছা খাল ১ ও ২ মহেশপুর, কালীগঞ্জে পুটিমারী খাল ও
সোনালী খাল, ঝিনাইদহ সদরে চোরকোল খাল ঝিনাইদহ সদর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ঝিনাইদহের অধিকাংশ খাল ও নদী ভূমিদস্যু এবং প্রভাবশালী মহলের দখলে চলে গেছে, যার ফলে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। খাল ভরাট করে আবাসিক স্থাপনা, দোকান ও বাড়ি তৈরি করায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দখল ও দূষণের কারণে জেলার অনেক নদী ও খালের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে।
ঝিনাইদহ পৌর এলাকা, বিশেষ করে হামদহ, পাগলাকানাই মোড় সংলগ্ন এলাকায় খাল ভরাট করে বাড়ি ও দোকান তৈরি করা হয়েছে। খাল ভরাট হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে শহর তলিয়ে যায়। শহরের হামদহ এলাকায় প্রিন্স প্রাইভেট হাসপাতালের সামনের সেতু, হামদহ সাধুপতিরাম স্কুল সংলগ্ন, কোরাপাড়া, নতুন কোর্টপাড়ার ব্রীজ, পাগলাকানাই মোড়ের ব্যাকা ব্রীজ থেকে স্থানীয় মোশাররফ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাগলাকানাই মোড়ের কাছাকাছি কাঁঠাল বাগানের পাশ দিয়ে বয়ে চলা এমন একটা খাল আজও বেদখল করে ভরাট করে বাড়ি তৈরী করা হয়েছে ও হচ্ছে, দেখার কেউ নেই।
ঝিনাইদহের বেশির ভাগ খাল দখল হয়ে গেছে। এসব খালপাড়ে নির্মাণ করা হয়েছে স্থাপনা। সরকারি এসব খাল দখল হয়ে যাওয়ায় সেচ ও পানি নিষ্কাশনে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। খালগুলো সংকুচিত হয়ে পড়ায় পানিপ্রবাহ ও নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেচ সুবিধাও পাচ্ছেন না কৃষক। এতে ব্যাহত হচ্ছে ফসল উৎপাদন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য বলছে, জেলায় ২১৪টি সেচ খাল ও ১৪২টি পানি নিষ্কাশন খাল রয়েছে। এসব খালের মোট দৈর্ঘ্য ৯৬৮ কিলোমিটার। প্রতিটি খালের দুই পাশে ৫০-১২০ ফুট সরকারি জমি রয়েছে। তবে বাস্তবে অন্তত ৯০ শতাংশ খালের পাড় বিভিন্নভাবে দখল হয়ে গেছে।
ঝিনাইদহে জিকে সেচ প্রকল্পের ৮১৫ কিলোমিটার খালে বর্তমানে ৭৮৮ জন দখলদার রয়েছে। যারা খালের জায়গা দখল করে তার উপর দোকান পাট, ঘরবাড়ি এমনকি পাড় কেটে চাষাবাদও শুরু করছেন। বড় বড় ভবনও গড়ে তোলা হয়েছে এই খালের জায়গায়। অনেক স্থানে বোঝার উপায় নেই এখানে একটি খাল ছিল।
সরেজমিন দেখা গেছে, ঝিনাইদহের বিএডিসির খননকৃত খালগুলো বেদখল ও ভরাট হয়ে গেছে। একইভাবে ঝিনাইদহের জিকে সেচ প্রকল্পের শত শত বিঘা জমি ও স্থাপনা বেদখলে। শত শত বিঘা জমি ও স্থাপনা দিন দিন হয়ে যাচ্ছে বেদখল। বছরের পর বছর দেখভাল ও তদারকি না করায় চলছে লুটপাট। যেন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে ঝিনাইদহের গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের এসব জায়গা। প্রকল্পের দশা এমন বেহাল হলেও কোন মাথা ব্যাথা নেই কর্তৃপক্ষের। দোহায় দিচ্ছেন লোকবল সংকটের।
ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, হরিণাকুন্ডু ও সদর উপজেলায় জিকে সেচ প্রকল্পে প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ বিঘা জমি বেদখল ও পরিত্যক্ত হয়ে আছে। এসব স্থানগুলোতে জমি রয়েছে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫৫০ বিঘা।
ইজারা প্রথার অভিঘাত, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও লুটপাটের কবলে শিল্প, সংস্কৃতি, পর্যটন আর অর্থনীতির বিশাল সম্ভাবনাময় বাঁওড় জলাভূমির রাজধানী ঝিনাইদহ জেলায় বৃহদাকার আয়তনের বলুহর, জয়দিয়া, কাঠগড়া, ফতেপুর, মর্জাদ, নিত্যানন্দপুরসহ সবগুলো বাঁওড়ে জীববৈচিত্র্য সমাহার ও প্রাকৃতিকভাবে দেশীয় মাছ ও অন্যান্য মাছের সুস্বাদ ও প্রাপ্তি এখন বিলুপ্তপ্রায়।
গত ১৬ মার্চে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কন্যাদহ গ্রামে শেব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচীর আওতায় ঝিনাইদহ জেলার ২ডি-৭এন নিষ্কাশন খাল খননের উদ্বোধন করেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান এমপি। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তিনটি প্যাকেজে মোট ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে খালটির ৫ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার অংশ পুনঃখনন করা হবে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে দ্রুত পানিনিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, ‘স্থানীয় কৃষি উন্নয়ন ও পানি ব্যবস্থাপনার কথা বিবেচনা করে আশির দশকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজ হাতে খালটির খনন কাজ শুরু করেন। সে সময় খালটির একটি অংশ শিরিষকাঠ খাল নামে পরিচিত ছিল এবং এলাকার কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। নব্বইয়ের দশকে আবারও খনন করা হলেও দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি ভরাট হয়ে কার্যকারিতা হারায়। তিনি আরও বলেন, পুনঃখনন কাজ শেষ হলে দুই উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সামগ্রিক পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিএনপির খাল কাটা কর্মসূচী শুরু হয়েছে। এদিন একযোগে ৫৩টি খাল খনন শুরু হয়েছে আজকে থেকে। সত্তর দশকে বিএনপি যখন খাল খনন কর্মসূচী প্রথমবার শুরু করেছিলো, যা জননন্দিত হয়। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক দীপক অধিকারী বলেন,’সিএস খতিয়ান অনুযায়ী খালের সীমানা ঠিক রেখে খনন করা, দখলদারিত্ব থেকে খাল পুনরুদ্ধার করা, দখলকারীদেরকে চিহ্নিত করা জরুরি। বিনামূল্যে খুবই ভালো পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। প্রবাহমান খাল দেশের জন্যে আশীর্বাদ হবে। টলটলে স্বচ্ছ পানি থাকুক। পানিতে শাপলা ফুটুক। মাছ ভরে উঠুক। হাঁস ভাসুক। মানুষ স্নান করুক। কৃষক সেচের পানি তুলুক। পত্রিকায় পড়েছি, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। সিএস ম্যাপ দেখে খাল কাটা উচিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারাদেশে ৫৩ টি খাল খনন উদ্বোধন করেছেন। এটি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি হিসেবে শুধু খাল খনন নয়, দখলকৃত খাল পুনরুদ্ধার করতে হবে। ‘সিএস’ খতিয়ানে যেসব খাল রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার ও যথাযথ খনন করতে হবে। যেসব খালের অস্তিত্ব বিলীন হয়েছে সেসব খালের জায়গা কার দখলে রয়েছে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে এবং খালের জায়গা আইডেন্টিফাই করতে হবে। সিএস খালগুলোকে পুনরুদ্ধার করতে হবে।’
হুমকির মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। দিনে-দিনে পরিবেশ তার নিজস্ব ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। গত এক দশকে জেলার নদ-নদী তার নাব্য হারিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। বিলুপ্ত হয়ে গেছে প্রায় অর্ধশতাধিক দেশীয় মাছ। ফলে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এখনি সচেতন না হলে অদূর ভবিষ্যতে এ অঞ্চল মানুষের বসবাস হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। সুপেয় পানির সংকটে জনস্বাস্থ্য প্রসঙ্গে ঝিনাইদহের শৈলকুপা হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার না করতে পারলে নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে যায়। বিশেষ করে আর্সেনিক সংক্রমণ, শিশুরা ডায়েরিয়া, আমাশয়, পেটের পীড়াসহ নানা অসুখে পড়ে।’
এদিকে গত ১ এপ্রিলে দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,’চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি সশরীরে ঝিনাইদহে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি।’
জলমহাল ব্যবস্থাপনাকে গণমুখী করার দাবি জানিয়ে ঝিনাইদহের কাঞ্চননগর এলাকার নবগঙ্গা নদী পাড়ের বাসিন্দা কাজী ফারুকের মতে, ‘খাল-বিল-বাঁওড়-নদ-নদীগুলোকে জীবন্ত করতে প্রয়োজন প্রাণ-পরিবেশ-প্রতিবেশকে সুরক্ষিত করা।নদীনালা ও খাস জলাশয়ে মাছের অভয়াশ্রম উপযোগী করতে দূষণমুক্ত, বেদখলকৃত ভূমি উদ্ধার, পুনঃখনন ও পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের সদিচ্ছা দ্বারা নদীনালা, হাওড়, বাঁওড় ও জলমহালে বর্ধিত পরিসরে লাভজনকভাবে ফসলের আবাদের সাথে মাছ উৎপাদনের সামাজিক মালিকানার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব নিরসন করা অসম্ভব কিছু নয়।’ প্রাক্তন ঢাবিয়ান ও ক্যাডেট(ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ) আবু তোয়াব অপু বলেন, ‘দেশের মধ্যে চরম ক্ষরাপ্রবণ এলাকা এই ঝিনাইদহসহ আশপাশের অঞ্চল। গবেষণা বলছে, মরু এলাকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এ অঞ্চল। দখল, দূষণ ও ভরাটের কারণে দেশের অন্য এলাকা থেকে জলাশয়ও কমে গেছে। পানি প্রবাহের উৎস নদ-নদী ভরাট করে দখল হয়ে যাচ্ছে। এখন পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে খাল ও নদী খননের সাথে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। নিয়ম মেনে গভীর নলকূপ স্থাপনে নজরদারি করতে হবে। পানি ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। ভূমিদস্যুদের কবল থেকে জলসম্পদকে বাঁচাতে হবে।’
আপনার মতামত লিখুন :