
ফরিদপুরের সদরপুরে পরিমাপে কম জ্বালানি তেল দেওয়ায় সদরপুর ফিলিং স্টেশনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকায় উপজেলার সাড়ে সাতরশি এলাকার দাস বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সদরপুর উপজেলায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহরিয়ার আশরাফ।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সদরপুর ফিলিং স্টেশনে প্রতি লিটার জ্বালানি তেল বিক্রির সময় প্রায় ১০ থেকে ১২ মিলিলিটার কম দেওয়া হচ্ছিল। এ অপরাধে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ২৯ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৪৬ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এভাবে তেল কম দেওয়ার কারণে প্রতিদিন ভোক্তারা সম্মিলিতভাবে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লিটার তেল কম পেয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগের এ হিসাব অনুযায়ী, মাসে কম দেওয়া তেলের আর্থিক মূল্য দুই থেকে তিন লাখ টাকা হতে পারে।
এদিকে, একই অভিযানে সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি এলাকার দাস বেকারিতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহরিয়ার আশরাফ বলেন, “ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সঠিক পরিমাপ ও মান নিশ্চিত করতে প্রশাসন নিয়মিত কাজ করছে। জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়া হলে ভোক্তারা সরাসরি আর্থিক ক্ষতির শিকার হন। এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে প্রচলিত আইন মেনে চলে এবং সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারণা বা অনিয়মের শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোথাও অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আপনার মতামত লিখুন :